365aca কীভাবে শুরু হলো
২০১৯ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী এবং বেটিং বিশেষজ্ঞ মিলে 365aca-এর যাত্রা শুরু করেন। উদ্দেশ্য ছিল একটাই — বাংলাদেশের বেটরদের জন্য এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেটা আন্তর্জাতিক মানের, কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতার সাথে মানানসই।
সেই সময় বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানে হয় বিদেশি সাইট, নয়তো নির্ভরযোগ্যতার প্রশ্নবিদ্ধ স্থানীয় প্ল্যাটফর্ম। বিকাশে পেমেন্ট করতে পারবেন কিনা, টাকা তুলতে সমস্যা হবে কিনা, কাস্টমার সাপোর্ট বাংলায় কথা বলবে কিনা — এসব নিয়ে ব্যবহারকারীদের মধ্যে সংশয় ছিল। 365aca-এর প্রতিষ্ঠাতারা এই সমস্যাগুলোকে সরাসরি সমাধান করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
প্রথম বছরেই 365aca-তে ৫০,০০০-এর বেশি নিবন্ধন হয়। মানুষ বুঝতে পারলেন এটা সত্যিই আলাদা — বাংলায় সাপোর্ট, মোবাইলে সহজ পেমেন্ট, এবং সময়মতো পেআউট। এরপর থেকে প্রতি বছর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বেড়েছে।
একটা মজার তথ্য: 365aca-এর নামটা এসেছে বছরের ৩৬৫ দিনের ধারণা থেকে। আমরা বিশ্বাস করি বেটিং হওয়া উচিত সারা বছর জুড়ে একটা আনন্দময় অভিজ্ঞতা — শুধু ম্যাচের দিনে নয়।
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি
365aca-এর প্রতিটি ফিচার বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। দেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটিরও বেশি। অনেকে ৩জি সংযোগে মোবাইল দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। সেই বাস্তবতায় একটা ভারী, ধীরগতির ওয়েবসাইট কাজে আসে না। তাই 365aca-এর ইন্টারফেস হালকা, দ্রুত লোড হয় এবং ছোট স্ক্রিনেও সুন্দরভাবে কাজ করে।
পেমেন্টের ক্ষেত্রেও একই চিন্তা। বাংলাদেশে ব্যাংক ট্রান্সফারের চেয়ে বিকাশ-নগদ অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই 365aca প্রথম থেকেই এই মোবাইল পেমেন্ট পদ্ধতিগুলোকে প্রাধান্য দিয়েছে। ডিপোজিট এবং উইথড্রয়াল দুটোই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে করা যায়।